নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে কারখানা বন্ধের জেরে সংঘর্ষ, এক শ্রমিক নিহত
নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে কারখানা বন্ধ ও ছাঁটাইয়ের জেরে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকেরা। বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে একজন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আন্দোলনকারী শ্রমিকেরা জানান, উত্তরা ইপিজেডে অবস্থিত এভারগ্ৰিন নামে একটি কোম্পানিতে ছাঁটাই বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে দুই দিন ধরে আন্দোলন করছেন তাঁরা। সোমবার রাতে হঠাৎ কোম্পানি বন্ধের নোটিশ দেয় কর্তৃপক্ষ। আজ সকালে কাজে যোগ দিতে গিয়ে এভারগ্রিন কারখানার শ্রমিকেরা ওই নোটিশ দেখতে পান। এ ঘটনার প্রতিবাদে সকালে ইপিজেডের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকেরা। সকাল ৯টার দিকে তাদের সরিয়ে দিতে গেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে দাবি শ্রমিকদের। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংঘর্ষে নিহত শ্রমিকের নাম হাবিব (২১)। তিনি ইকু প্লাস্টিক ফ্যাক্টরির শ্রমিক বলে জানা গেছে। আহত আরও কয়েকজন শ্রমিক নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. তানভিরুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে আটটার দিকে হাবিবুর রহমানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ময়নাতদন্তের পর এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে বলা যাবে।’
বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী। সংঘর্ষ থামলেও এলাকাজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ ছাড়া নীলফামারী-সৈয়দপুর মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।





































